রক্তদান

তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্তদাতা খুঁজে নাও

ক্যাম্পাসে কারও রক্ত লাগলে অনুরোধটি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই রক্তের গ্রুপের দাতাদের কাছে পৌঁছায়, আর তারা এক ট্যাপে সাড়া দিতে পারেন।

Google Play থেকে নাও
ভার্সিটি কথায় রক্তের অনুরোধ, রক্তের গ্রুপ আর “আমি দিতে পারব” বাটনসহ

জরুরি অবস্থায় আগে হাসপাতাল বা ব্লাড ব্যাংকে যোগাযোগ করো

ভার্সিটি কথা তোমাকে নিজের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটি হাসপাতাল বা ব্লাড ব্যাংকের বিকল্প নয়। রক্তের গ্রুপ আর ক্রসম্যাচিং সব সময় হাসপাতালের সাথে নিশ্চিত করো।

কীভাবে কাজ করে

  • দাতা হও

    অ্যাকাউন্ট থাকলে যে কেউ দাতা হিসেবে নাম লেখাতে পারে, এখন দিতে পারবে কি না জানাতে পারে, আর শেষবার কবে রক্ত দিয়েছে তা লিখে রাখতে পারে।

  • অনুরোধ করো

    ভেরিফায়েড শিক্ষার্থীরা রক্তের গ্রুপ, হাসপাতাল আর কখন লাগবে তা দিয়ে অনুরোধ পোস্ট করতে পারে। তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গ্রুপের দাতারা নোটিফিকেশন পান।

  • এক ট্যাপে “আমি দিতে পারব”

    দাতা একবার ট্যাপ করে সাড়া দেন। তখনই শুধু তাঁর ফোন নম্বর যায়, আর যিনি চেয়েছেন শুধু তাঁর কাছে।

  • শুধু যোগ্য দাতারা

    দাতা এখন দিতে পারবেন বলে জানালে এবং শেষবার অন্তত ১২০ দিন আগে রক্ত দিয়ে থাকলেই (বাংলাদেশে প্রতি চার মাসে) নোটিফিকেশন পান। অন্যরা তবুও পড়তে ও সাড়া দিতে পারেন।

  • ক্যাম্পাসের ভেতরেই

    অনুরোধ, দাতা আর নোটিফিকেশন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই থাকে, তাই সাড়া দেন সহপাঠী শিক্ষার্থীরাই।

  • অপব্যবহার ঠেকাতে সীমা

    একজন শিক্ষার্থী দিনে সর্বোচ্চ ৩টি অনুরোধ করতে পারে, একসাথে খোলা থাকতে পারে ৩টি, আর একজন দাতা দিনে সর্বোচ্চ ৩টি অনুরোধের নোটিফিকেশন পান।

কে কাকে রক্ত দিতে পারে

অনুরোধের পাতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ গ্রুপগুলো তথ্য হিসেবে দেওয়া থাকে। অনুরোধ যায় একই গ্রুপের দাতাদের কাছে; নিচে দেখো রোগীর প্রতিটি গ্রুপকে কোন গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকা দেওয়া যায়।

রোগীযাদের কাছ থেকে নিতে পারে
O-O-
O+O+, O-
A-A-, O-
A+A+, A-, O+, O-
B-B-, O-
B+B+, B-, O+, O-
AB-AB-, A-, B-, O-
AB+A+, A-, B+, B-, AB+, AB-, O+, O-

লোহিত রক্তকণিকার সাধারণ সামঞ্জস্য। চূড়ান্ত মিলিয়ে দেখে হাসপাতাল।

তোমার রক্তের গ্রুপ গোপন থাকে

রক্তের গ্রুপ স্বাস্থ্যতথ্য, তাই ভার্সিটি কথা তাকে সেভাবেই দেখে।

  • শুধু তোমার নিজের প্রোফাইলে দেখায়, আর অনুরোধে সাড়া দিলে যিনি চেয়েছেন তাঁকে
  • কেউ দাতাদের ব্রাউজ বা সার্চ করতে পারে না
  • প্রকাশ্যে শুধু সংখ্যা দেখায়, যেমন “তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ জন A+ দাতা”
  • তোমার ফোন নম্বর যায় শুধু অনুরোধকারীর কাছে, আর শুধু তুমি “আমি দিতে পারব” ট্যাপ করলে

সচরাচর প্রশ্ন

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্তদাতা কীভাবে খুঁজব?

অ্যাপে রক্তের গ্রুপ, হাসপাতাল আর কখন লাগবে তা দিয়ে অনুরোধ করো। তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের একই গ্রুপের যোগ্য দাতারা নোটিফিকেশন পান আর এক ট্যাপে সাড়া দিতে পারেন।

রক্তের অনুরোধ কে করতে পারে?

ভেরিফায়েড শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেইলে সাইন ইন করেছে। অ্যাকাউন্ট থাকলে যে কেউ দাতা হতে ও সাড়া দিতে পারে।

রক্তের গ্রুপ ধরে দাতা কি সার্চ করা যায়?

না। দাতাদের গোপনীয়তা রক্ষায় কেউ তাঁদের ব্রাউজ বা সার্চ করতে পারে না। তোমার অনুরোধে শুধু সংখ্যা দেখবে, যেমন ওই গ্রুপের কতজন দাতা তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন।

আমার ফোন নম্বর কি সবাই দেখে?

না। দাতার ফোন নম্বর শুধু অনুরোধকারীর কাছে যায়, আর শুধু দাতা “আমি দিতে পারব” ট্যাপ করে নিশ্চিত করলে।

কতদিন পর পর রক্ত দেওয়া যায়?

বাংলাদেশে প্রতি চার মাসে। শেষবার অন্তত ১২০ দিন আগে রক্ত দিয়ে থাকলেই অ্যাপ দাতাকে নোটিফিকেশন পাঠায়। ব্লাড ব্যাংক বা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলো।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও কি চলে?

অনুরোধ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই থাকে, তাই শিক্ষার্থীরা নিজের ক্যাম্পাসের দাতাদের সাথে মেলে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা দাতা তালিকা।

এটা কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। ভার্সিটি কথা অ্যাপে রক্তের অনুরোধ আর দাতা হিসেবে নাম লেখানো বিনামূল্যে।

দাতা হও, অথবা দাতা খুঁজে নাও

ভার্সিটি কথা ইনস্টল করে দাতা হিসেবে নাম লেখাও, নয়তো দরকারে ক্যাম্পাসে তোমার রক্তের গ্রুপের দাতাদের কাছে পৌঁছাও।

Google Play থেকে নাও