উদাহরণ ১: এক সেমিস্টারের জিপিএ
পাঁচটি কোর্স: ৩ ক্রেডিটের A, B+, A-, B আর ১.৫ ক্রেডিটের ল্যাবে A+। পয়েন্ট ৩ × ৩.৭৫ + ৩ × ৩.২৫ + ৩ × ৩.৫০ + ৩ × ৩.০০ + ১.৫ × ৪.০০ = ৪৬.৫০। মোট ক্রেডিট ১৩.৫। জিপিএ = ৪৬.৫০ ÷ ১৩.৫ = ৩.৪৪।
ইউজিসি ৪.০০ গ্রেডিং স্কেল
সেমিস্টার জিপিএ আর সিজিপিএ হিসাব করো, রিটেক ধরে, আর জানো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পরের সেমিস্টারে কত লাগবে। বিনামূল্যে, সাইন-ইন ছাড়া।
রিটেক কোর্স কোড দেখে মেলানো হয়, তাই প্রতিবার একই কোড লেখো। শুধু এই ব্রাউজারে সেভ থাকে। আমাদের কাছে কিছু পাঠানো হয় না।
সিজিপিএ
—
ফল দেখতে ক্রেডিট আর গ্রেড দাও।
লক্ষ্যে পৌঁছাতে পরের সেমিস্টারে কত জিপিএ লাগবে?
ওপরে কিছু গ্রেড দাও, অথবা এখানে সিজিপিএ ও ক্রেডিট লেখো।
নম্বর থেকে লেটার গ্রেড আর গ্রেড পয়েন্ট। নিচের সীমা অন্তর্ভুক্ত, ওপরের সীমা নয়: ৭৫ পেলে A, ৭৪.৯ পেলে A-।
| নম্বর | লেটার গ্রেড | গ্রেড পয়েন্ট |
|---|---|---|
| ৮০–১০০ | A+ | ৪.০০ |
| ৭৫–<৮০ | A | ৩.৭৫ |
| ৭০–<৭৫ | A- | ৩.৫০ |
| ৬৫–<৭০ | B+ | ৩.২৫ |
| ৬০–<৬৫ | B | ৩.০০ |
| ৫৫–<৬০ | B- | ২.৭৫ |
| ৫০–<৫৫ | C+ | ২.৫০ |
| ৪৫–<৫০ | C | ২.২৫ |
| ৪০–<৪৫ | D | ২.০০ |
| ০–<৪০ | F | ০.০০ |
ক্রেডিট × গ্রেড পয়েন্ট। তিন ক্রেডিটের কোর্সে A পেলে ৩ × ৩.৭৫ = ১১.২৫।
সেমিস্টারের সব কোর্সের পয়েন্ট যোগ করে মোট ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করলে সেমিস্টার জিপিএ। সব সেমিস্টার একসাথে ধরলে সিজিপিএ।
ট্রান্সক্রিপ্টের মতো দুই দশমিকে গোল করা হয়, অর্ধেক হলে ওপরে: ৩.৭৪৫ হয় ৩.৭৫।
যে কোর্সে এখনো গ্রেড বা নম্বর দাওনি, সেটা হিসাবে ধরা হয় না।
পাঁচটি কোর্স: ৩ ক্রেডিটের A, B+, A-, B আর ১.৫ ক্রেডিটের ল্যাবে A+। পয়েন্ট ৩ × ৩.৭৫ + ৩ × ৩.২৫ + ৩ × ৩.৫০ + ৩ × ৩.০০ + ১.৫ × ৪.০০ = ৪৬.৫০। মোট ক্রেডিট ১৩.৫। জিপিএ = ৪৬.৫০ ÷ ১৩.৫ = ৩.৪৪।
প্রথম সেমিস্টারে ১৫ ক্রেডিট, জিপিএ ৩.৩৫। দ্বিতীয়টিতে ১২ ক্রেডিট, জিপিএ ৩.৭৫। সিজিপিএ = (৫০.২৫ + ৪৫.০০) ÷ ২৭ = ৩.৫৩। শুধু দুই জিপিএর গড় নিলে হতো ৩.৫৫, যা ভুল, কারণ সেমিস্টার দুটির ক্রেডিট আলাদা।
CSE 201-এ প্রথমবার C (২.২৫), পরের সেমিস্টারে রিটেক করে B+ (৩.২৫)। সঙ্গে MAT 201-এ A আর PHY 201-এ B। ‘সেরা চেষ্টা’ নিয়মে C বাদ যায়: সিজিপিএ ৩.৩৩। ‘সব চেষ্টা’ ধরলে ৩.০৬।
এখন ৬০ ক্রেডিটে সিজিপিএ ৩.২০, লক্ষ্য ৩.৩০, পরের সেমিস্টারে ১৫ ক্রেডিট। মোট পয়েন্ট লাগবে ৩.৩০ × ৭৫ = ২৪৭.৫। আছে ৩.২০ × ৬০ = ১৯২। বাকি ৫৫.৫ পয়েন্ট ১৫ ক্রেডিটে, মানে পরের সেমিস্টারে অন্তত ৩.৭০ জিপিএ লাগবে, যা প্রায় সব কোর্সে A (৩.৭৫)-এর কাছাকাছি।
ভার্সিটি কথা অ্যাপে প্রতিটি সেমিস্টার ফোনে সেভ থাকে, ইউজিসি স্কেল ছাড়াও নিজের স্কেল বানানো যায়, আর লক্ষ্য সিজিপিএ পরিকল্পনা সাথেই আছে। সাথে ক্লাস রুটিন, রিমাইন্ডার আর ক্যাম্পাস ভয়েস। বিনামূল্যে।
Google Play থেকে নাওপ্রতিটি কোর্সের ক্রেডিটকে গ্রেড পয়েন্ট দিয়ে গুণ করো, সব গুণফল যোগ করো, তারপর মোট ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করো। সব সেমিস্টারের কোর্স একসাথে ধরলে সিজিপিএ, একটি সেমিস্টারের কোর্স ধরলে সেমিস্টার জিপিএ। দুই সেমিস্টারের জিপিএর গড় নিলে ভুল আসে, কারণ ক্রেডিট ভিন্ন হতে পারে।
৪.০০, ৮০ বা তার বেশি নম্বরে। এরপর A (৩.৭৫, ৭৫ থেকে ৮০-র নিচে), A- (৩.৫০), B+ (৩.২৫), B (৩.০০), B- (২.৭৫), C+ (২.৫০), C (২.২৫), D (২.০০) আর ৪০-এর নিচে F (০.০০)।
বাংলাদেশে সাধারণত সেরা চেষ্টাটি গোনা হয়। ক্যালকুলেটরে ‘সেরা চেষ্টা’, ‘সর্বশেষ চেষ্টা’ আর ‘সব চেষ্টা’ বেছে নিতে পারো। কোর্স কোড দেখে রিটেক মেলানো হয়, তাই একই কোর্সে একই কোড লেখো (বড় বা ছোট হাতের অক্ষর আর ফাঁকা জায়গা কোনো ব্যাপার না)।
হ্যাঁ। F-এর পয়েন্ট ০.০০, কিন্তু তার ক্রেডিট মোট ক্রেডিটে যোগ হয়, তাই সিজিপিএ কমে। রিটেকে পাস করলে ‘সেরা চেষ্টা’ নিয়মে F আর গোনা হয় না। ‘পাস করা ক্রেডিট’ আলাদাভাবে দেখানো হয়, সেখানে F বাদ।
বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসির এই ৪.০০ স্কেল মানে, কিন্তু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্কেল আছে। চূড়ান্ত হিসাব সবসময় তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং শিট আর রেজিস্ট্রারের কাছে। ভার্সিটি কথা অ্যাপে নিজের স্কেল বানিয়ে নেওয়া যায়; এই ওয়েব ক্যালকুলেটরে শুধু ইউজিসি স্কেল।
না। স্কুল ও কলেজের পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ স্কেলে হয়। এই ক্যালকুলেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪.০০ স্কেলের জন্য।
সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটাই সরকারি সূত্র নেই, তাই আমরা কোনো আন্দাজ দেখাই না। ওপরের টেবিলে প্রতিটি লেটার গ্রেডের নম্বরের সীমা দেওয়া আছে। সূত্র দরকার হলে তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম দেখো।
না। হিসাব তোমার ব্রাউজারেই হয়। সুবিধার জন্য শুধু এই ব্রাউজারের localStorage-এ সেভ থাকে, যাতে পরে এসে আবার লিখতে না হয়। আমাদের সার্ভারে কিছু যায় না। ব্রাউজারের ডেটা মুছলে এটাও মুছে যায়।
ভার্সিটি কথা অ্যাপে রুটিন, রিমাইন্ডার, সিজিপিএ ক্যালকুলেটর আর ক্যাম্পাসের সমস্যা জানানোর জায়গা সব এক অ্যাপে।